মুসলিম বিশ্বআরও »
আজ ২৩ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের ৯০তম জাতীয় দিবস। দিবসটি মূলত সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠা দিবস। ইতিহাস বলছে, আয়তনের দিক থেকে এশিয়া মহাদেশের ৫ম এবং আরব বিশ্বের ২য় বৃহত্তম দেশ সৌদি আরব। সৌদি আরব শুধু তার আয়তনের দিক থেকে নয় বরং বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনীতি ও প্রভাবের দিক থেকেও অন্যতম বৃহৎ শক্তি। বিশেষ করে ইসলাম ও মুসলিমদের সেবা, উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণে সৌদি আরবের অবদান অনস্বীকার্য ও অন্য যে কোন দেশের তুলনায় বেশি। কিন্তু আজকের এই সৌদি আরব একদিনে গড়ে ওঠেনি। পৌনে তিন শতাব্দী পূর্বে ১৭৪৪ সালে ইমাম মুহাম্মাদ বিন সউদ (রহ.) ও ইমাম মুহাম্মাদ বিন আবদুল ওয়াহ্হাব (রহ.)-এর যৌথ প্রচেষ্টায় প্রথম সৌদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় যা ১৮১৮ সাল পর্যন্ত টিকে ছিলো। পরবর্তীতে প্রথম সৌদী রাষ্ট্র কিছু বছরের জন্য ধ্বংস হলেও ১৮২৪ সালে নাজ্দ কেন্দ্রিক ছোট আকারে দ্বিতীয় সৌদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বিংশ শতাব্দির শুরুতে “ইবনে সউদ” নামে খ্যাত বাদশাহ আব্দুল আযীয বিন আব্দুর রহমান আলে সউদ (রহ.)-এর উদ্যোগে ও প্রচেষ্টায় তৃতীয় বা আধুনিক সৌদি আরব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পূর্ণতা লাভ করে ১৯৩২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। সেই থেকেই ২৩ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের জাতীয় দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। এক নজরে সৌদি আরব সরকারি নাম: আল মামলাকাতুল আরাবিয়্যাতুস সাউদিয়া (রাজকীয় সৌদি আরব) আয়তন: প্রায় ২২,৪৮,০০০ বর্গ কিলোমিটার বা …


ধর্ম-দর্শনআরও »
মাওলানা এস এম আনওয়ারুল করীম: আশুরার রোজার দ্বারা বিগত এক বছরের পাপরাশি মাফ হয়ে যায়। ইসলামের প্রাথমিক যুগে আশুরার রোজা ফরজ ছিল। দ্বিতীয় হিজরি সনে রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার বিধান নাজিল হলে আশুরার রোজা ঐচ্ছিক হিসেবে বিবেচিত হয়। আশুরা দিবসে রোজা পালনের জন্য রসুলুল্লাহ (স) নির্দেশ দিয়েছেন। সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবি হজরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, রমজানের পর সর্বাধিক উত্তম রোজা হলো মহরম মাসের রোজা। আর ফরজের পরে সর্বাধিক উত্তম নামাজ হলো তাহাজ্জুদের নামাজ। (সহিহ মুসলিম ১/৩৫৮)। হজরত আয়েশা (রা) বলেন, জাহেলি যুগে কুরাইশরা আশুরার দিনে রোজা পালন করত। রসুলুল্লাহ (স)ও সেকালে রোজা পালন করতেন। মদিনায় এসেও তিনি রোজা পালন করতেন এবং অন্যদেরও নির্দেশ দেন। রমজানের রোজার আদেশ নাজিল হলে আশুরার রোজা শিথিল করা হয়। এখন কেউ চাইলে তা পালন করুক, আর চাইলে তা বর্জন করুক। (বুখারি ১/২৬৮) বিশ্বনবি (স) বলেছেন, রমজানের রোজার পর মহরম মাসের রোজা আল্লাহতায়ালার কাছে সবচেয়ে বেশি ফজিলতময়। (বুখারি ১১৬৩; মুসলিম ১৯৮২) নবি করিম (স) আশুরার দিন নিজে রোজা রাখতেন এবং সেদিন রোজা পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন। (বুখারি ২০০৪; মুসলিম ১১৩০)। ১০ মহরম আশুরার রোজার ফজিলত প্রসঙ্গে হজরত রসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, এ আশুরার দিন রোজা রাখার কারণে আল্লাহতায়ালা বান্দার বিগত এক বছরের গুনাহসমূহ মাফ করে দেন। (সহিহ মুসলিম ১১৬২) প্রখ্যাত …

স্বাস্থ্যআরও »
আমরা কী কিনি কিংবা কী খাই, পান করি—সবকিছুতেই নাক গলাচ্ছে করোনাভাইরাস। দুনিয়ার বড় বড় ফাস্ট ফুড চেইনও দেখছে নানা পরিবর্তন। ম্যাকডোনাল্ড’স, ডানকিন, স্টারবাকস এমন তথ্যই দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে এখন মানুষ ফাস্ট ফুডের দোকানে কফি বা স্যান্ডউইচ খেতে তেমন আসে না। বরং সবাই এক অর্ডারে অনেক বেশি খাবার কিনে নিচ্ছে। স্টারবাকস বলছে, এক অর্ডারে খাবার প্যাকেজের পরিমাণ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ডানকিনও একই প্রবণতার কথা জানিয়েছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে মানুষজন এখন ড্রাইভ-থ্রু দোকানকে বেশি ব্যবহার করছে। অর্থাৎ, গাড়ি থেকে না নেমে জানালা দিয়ে কেনাকাটা শেষ করছে। শিপোটলে দ্রুতগতিতে তাদের ড্রাইভ-থ্রু দোকানের সংখ্যা বৃদ্ধি করছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ডিজিটাল অর্ডার বাড়ছে। ম্যাকডোনাল্ড’স থেকে স্টারবাকস, ডমিনোজ সবার ক্ষেত্রেই বেড়েছে ডিজিটাল অর্ডার। ট্যাকো বেল, পিত্জা হাট ও কেএফসির ডিজিটাল অর্ডার ১ বিলিয়ন থেকে সাড়ে তিন বিলিয়নে পৌঁছে গেছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায়। বেড়েছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্ডার। ডানকিন কিংবা স্টারবাকসের মতো কফি চেইনগুলোর সকালের বিক্রি কমে গেছে। কারণ সকালে আগের তুলনায় লোকজন কম বের হচ্ছে। আর কফি খেতে আসছে আরো অনেক কম মানুষ। এমনকি ছুটির দিনের সকালেও গ্রাহকদের দেখা মিলছে কম। সকালে না এলেও দুপুরে বেশ অনেক মানুষ ভিড় করছে স্টারবাকসের দোকানগুলোতে। বিভিন্ন অফিসে করোনার কারণে সময়সূচি বদলে গেছে। সে সঙ্গে বদলেছে মানুষের কফির খাওয়ার সময়ও। যুক্তরাষ্ট্রে মানুষরা এখন বেলা ১১টা থেকে …
গ্যালারীআরও »
ভিডিওআরও »
সানরাইজ সমসাময়িক প্রসঙ্গ
সপ্তাহের সংবাদ পর্যালোচনা
শরণার্থীদের ফেরাচ্ছেন গ্রিক উপকূলরক্ষীরা
Back to top button
Close