মুসলিম বিশ্বআরও »
ইসলামের ইতিহাসে দ্বিতীয় ওমর হিসেবে পরিচিত খলিফা ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ:) ও তার স্ত্রী ফাতেমা বিনতে আবদুল মালেকের সমাধি সৌধ ইরান সমর্থিত সন্ত্রসী গোষ্ঠীর হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসলামের জন্য অনন্য কৃতিত্বের দাবিদার এ মহান খলিফার কবরে আগুন জালিয়ে চরম ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছে তারা। ২৮ মে বৃহস্পতিবার সিরিয়ার ক্ষমতাশীন বাশার আল-আসাদ বাহিনী ইরান সমর্থিত সন্ত্রসী গোষ্ঠী হজরত ওমর ইবনে আবদুল আজিজ রহমাতুল্লাহি আলাইহির কবরে আক্রমণ চালিয়ে ধ্বংস্তুপে পরিণত করে এবং সমাধি সৌধে আগুন ধরিয়ে দেয়। সে সঙ্গে তার স্ত্রী ফাতেমা বিনতে আব্দুল মালেকের সমাধি সৌধও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেখানে আরো বলা হয়, ২৭ মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, সিরিয়ার ইদলিবে অবস্থতি খলিফা ওমর ইবনে আবদুল আজিজ রহমাতুল্লাহি আলাইহির মাজার ইরান সমর্থিত সন্ত্রসী গোষ্ঠী ও বাশার বাহিনী ধ্বংস করে দিচ্ছে। সমাধি সৌধ অবমাননা করছে। ঐতিহাসিক এই সমাধি সৌধে ইরান সমর্থিত সন্ত্রসী গোষ্ঠী ও আসাদ সরকারের এমন অবমাননা এবারই প্রথম নয়, এর আগে গত ফেব্রয়ারিতেও তারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলেও জানা যায়। সে সময় তারা এ শহরটি দখল করে এবং মাজারে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। প্রসঙ্গত, ইসলামের প্রধান চার খলিফার শাসনামলের পর খলিফা ওমর ইবনে আবদুল আজিজের শাসন কালকে আদর্শ শাসনামল মনে করা হয়। ন্যায়-ইনসাফ, ইসলামি অর্থনীতির মজবুত ভিত্তি স্থাপনের কারণে ইতিহাসে তাকে দ্বিতীয় ওমর হিসেবে আখ্যায়িত করা …


ধর্ম-দর্শনআরও »
শিহাব সাকিব: মহিমান্বিত রমজানের শেষে পশ্চিম আকাশে এক ফালি চাঁদ সিয়াম ও কিয়াম সাধনার অভূতপূর্ব পরিসমাপ্তি ঘটায়। উদযাপিত হয় ঈদুল ফিতর। কিন্তু মুমিনের হৃদয় রাজ্যে তখন দেখা দেয় ইবাদতের বসন্ত পূণ্যময় রমজান শেষ হওয়ার হাহাকার ও বেদনা। বরকতময় রমজানে আরও বেশি ইবাদত বন্দেগি ও আত্মনিবেদন করার আকাঙ্ক্ষা তাকে পেয়ে বসে। অদৃশ্য এক যন্ত্রণায় দগ্ধ হতে থাকে। ঠিক সেই মুহূর্তে প্রভুর পক্ষ থেকে এক পশলা বৃষ্টির মতো নাজিল হয় শাওয়ালের ছয়টি রোজা। গুরুত্ব ও ফযিলত শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা রাসূল (সা.) নিজে রাখতেন এবং সাহাবিদেরকে রাখতে উদ্বুদ্ধ করতেন। এই ছয় রোজার রয়েছে অপরিসীম গুরুত্ব ও ফযিলত। হাদীস শরিফে আছে, আবু আয়্যুব আনসারি (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানের রোজার সঙ্গে শাওয়ালের ছয় রোজা রাখল সে যেন পুরো বছর রোজা রাখল। (সহিহ মুসলিম-১১৬৪) এই রোজার সওয়াব আল্লাহ তায়ালা দশগুণ বৃদ্ধি করে দেন। রমজান দশ মাস সমান আর শাওয়ালের ছয় দিন দুই মাস সমান। মোট এক বছর। এ মর্মে ইরশাদ হয়েছে, হজরত সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, রমজানের রোজা দশ মাস রোজার সমতুল্য আর (শাওয়ালের) ছয় রোজা দুই মাসের সমকক্ষ। এই হল মোট এক বছরের রোজা। (সুনানুন নাসায়ি কুবরা:২৮৬০) রোজার সময় পুরো শাওয়াল মাস। ঈদুল ফিতরের পরের দিন থেকে জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা পর্যন্ত। শুরু শেষ বা মাঝের-যে কোনো …

স্বাস্থ্যআরও »
করোনাভাইরাস মহামারীতে বিশ্বের নানা দেশে যখন লকডাউন ধীরে ধীরে তুলে নেয়া হচ্ছে, তখন মানুষের মনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন একটাই: কীভাবে সংক্রমণের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হবে। বিজ্ঞানীরাও প্রশ্নটি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছেন এবং জবাব খুঁজে বের করার জন্য বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন। সমস্যা হলো, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের চিত্রটি এখনও ঠিক পরিষ্কার না। আর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু তার পরও জীবিকার প্রয়োজনে লকডাউন তুলে নেয়া হচ্ছে। এর পেছনে ব্যবসায়িক মহলের যেমন চাপ রয়েছে। তেমনি সাধারণ মানুষের একাংশও ভাবতে শুরু করেছেন যে এত কঠোর বিধিনিষেধের আদৌ কোন প্রয়োজন রয়েছে কিনা। তাহলে লকডাউন উঠে যাওয়ার পর নিরাপত্তার মূল শর্তগুলো কী হবে? সবচেয়ে সুস্পষ্ট শর্ত: নিরাপদ দূরত্ব রক্ষা সেই ১৯৩০ সালে একটি গবেষণা হয়েছিল যেখানে প্রমাণ পাওয়া যায় যে কেউ কাশি দিলে তার কাশির অণুগুলো এক মিটার দূরত্বের মধ্যে হয় বাতাসে মিলিয়ে যায় নয়তো মাটিতে ঝরে পড়ে। আর সেকারণেই করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ হচ্ছে, যে কোনভাবে এক মিটার (৩.২ ফুট) দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। কোন কোন দেশে ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু ব্রিটেনসহ কিছু দেশে জনগণকে দুই মিটার দূরত্ব রক্ষা করার উপদেশ দেয়া হয়েছে। এসব পরামর্শের একটাই লক্ষ্য: আপনি মানুষ থেকে যত বেশি দূরে থাকবেন, আপনি তত বেশি নিরাপদ থাকবেন। কিন্তু বাংলাদেশের মতো দেশ যেখানে …
গ্যালারীআরও »
ভিডিওআরও »
শরণার্থীদের ফেরাচ্ছেন গ্রিক উপকূলরক্ষীরা
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো…’
লন্ডন প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক, বাংলা একাডেমী প্রবাসী পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক ইসহাক কাজল আর নেই।
Back to top button
Close