মুসলিম বিশ্বআরও »
২০২০ সালের প্রথম ১০ মাসে ১ কোটি ১২ লাখ পর্যটক গ্রহণ করেছে তুরস্ক। তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। চলমান কভিড-১৯ মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে লকডাউন ও চলাচলে কঠোর নীতিমালা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে তুরস্কের পর্যটন খাতেও ধাক্কা লেগেছে। মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত উপাত্তে দেখা গেছে, দেশটিতে পর্যটক আগমন বছরওয়ারি কমেছে ৭২ দশমিক ৫ শতাংশ। তবে আশাবাদের জায়গা হচ্ছে, গত আগস্ট থেকে অক্টোবরে দেশটিতে ৫৭ লাখ পর্যটক এসেছে, যেখানে মহামারীর চূড়ান্ত সময়ে এপ্রিল থেকে মে মাসে পর্যটক এসেছিল মাত্র ৫০ হাজার। গত অক্টোবরে পর্যটক এসেছে ১৭ লাখ ৪০ হাজার, যা বছরওয়ারি কমেছে ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। গত ১০ মাসে তুরস্কের সবচেয়ে বড় পর্যটন আকর্ষণ ছিল ইস্তাম্বুল। দেশটির মোট পর্যটকের ৩৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বা ৪১ লাখ ৫০ হাজার এসেছিল ঐতিহাসিক এ নগরীতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আনাতালিয়ায় ২৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ৩১ লাখ পর্যটক এসেছে। বুলগেরিয়া ও গ্রিস সীমান্তবর্তী এডির্নেতে তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ পর্যটক এসেছে। আকাশপথে তুরস্কে এসেছে ৮৫ লাখ পর্যটক, গাড়িতে করে এসেছে ২৫ লাখ, সমুদ্রপথে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৫০ এবং রেলপথে ১ লাখ ৬২ হাজার ১৮৮ জন। রাশিয়া থেকে সর্বোচ্চ ১৭ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বা ১৯ লাখ ১০ হাজার পর্যটক এসেছে। তার পরই রয়েছে জার্মানির (৯ দশমিক ২৬ শতাংশ) ১০ লাখ ৩ …


ধর্ম-দর্শনআরও »
মাওলানা এস এম আনওয়ারুল করীম: আশুরার রোজার দ্বারা বিগত এক বছরের পাপরাশি মাফ হয়ে যায়। ইসলামের প্রাথমিক যুগে আশুরার রোজা ফরজ ছিল। দ্বিতীয় হিজরি সনে রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার বিধান নাজিল হলে আশুরার রোজা ঐচ্ছিক হিসেবে বিবেচিত হয়। আশুরা দিবসে রোজা পালনের জন্য রসুলুল্লাহ (স) নির্দেশ দিয়েছেন। সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবি হজরত আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, রমজানের পর সর্বাধিক উত্তম রোজা হলো মহরম মাসের রোজা। আর ফরজের পরে সর্বাধিক উত্তম নামাজ হলো তাহাজ্জুদের নামাজ। (সহিহ মুসলিম ১/৩৫৮)। হজরত আয়েশা (রা) বলেন, জাহেলি যুগে কুরাইশরা আশুরার দিনে রোজা পালন করত। রসুলুল্লাহ (স)ও সেকালে রোজা পালন করতেন। মদিনায় এসেও তিনি রোজা পালন করতেন এবং অন্যদেরও নির্দেশ দেন। রমজানের রোজার আদেশ নাজিল হলে আশুরার রোজা শিথিল করা হয়। এখন কেউ চাইলে তা পালন করুক, আর চাইলে তা বর্জন করুক। (বুখারি ১/২৬৮) বিশ্বনবি (স) বলেছেন, রমজানের রোজার পর মহরম মাসের রোজা আল্লাহতায়ালার কাছে সবচেয়ে বেশি ফজিলতময়। (বুখারি ১১৬৩; মুসলিম ১৯৮২) নবি করিম (স) আশুরার দিন নিজে রোজা রাখতেন এবং সেদিন রোজা পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন। (বুখারি ২০০৪; মুসলিম ১১৩০)। ১০ মহরম আশুরার রোজার ফজিলত প্রসঙ্গে হজরত রসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, এ আশুরার দিন রোজা রাখার কারণে আল্লাহতায়ালা বান্দার বিগত এক বছরের গুনাহসমূহ মাফ করে দেন। (সহিহ মুসলিম ১১৬২) প্রখ্যাত …

স্বাস্থ্যআরও »
চিকিৎসাবিজ্ঞানে অবদান রাখায় চলতি বছর নোবেল পুরস্কার জিতেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভে জে অল্টার, চার্লেস এম রাইস ও ব্রিটেনের মাইকেল হটন। হেপাটাইসিস সি ভাইরাস আবিস্কারের জন্য যৌথভাবে তাদের এই পুরস্কার দেয়া হবে। প্রতিবছর মেডিসিনেই প্রথম নোবেল জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেয়া হয়। উল্লেখ্য, ১৯০৫ সালে নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত চিকিৎসা ক্ষেত্রে ১০৯ বার নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছে। এর আগে ২০১৯ সালে কোষ কীভাবে অক্সিজেনের উপস্থিতি অনুভব করে এবং সাড়া দেয়, তা নিয়ে গবেষণা করে নোবেল জিতেছিলেন লন্ডনের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক স্যার পিটার র‌্যাটক্লিফ এবং যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের উইলিয়াম ক্যালিন ও জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেগ সেমেন্জা। ২০১৮ সালে নেতিবাচক ইমিউন নিয়ন্ত্রণে বাধাদানের মাধ্যমে ক্যানসার থেরাপি আবিষ্কারের জন্য যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান জেমস পি. অ্যালিসন ও তাসুকু হনজো। আর ২০১৭ সালের বায়োলজিক্যাল ক্লকসের মলিকিউলার মেকানিজমের আবিষ্কারের কারণে নোবেল পুরস্কার জেতেন বিজ্ঞানী জেফরি হল, মাইকেল রোশবাশ ও মাইকেল ইয়াং। ১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল নিজের মোট উপার্জনের ৯৪% (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান। ১৯৬৮-তে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি। পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল। আইনসভার …
গ্যালারীআরও »
ভিডিওআরও »
“বর্তমান বিশ্বের অবিসংবাদিত জনপ্রিয় নেতা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সফলতার রহস্য”
Let’s talk to make a change
Let's talk to make a change
Back to top button
Close