মুসলিম বিশ্বআরও »
লেবাননে বন্দরে বিশাল বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট বিপর্যয় ও চলমান বিক্ষোভের মাঝে দেশটির সরকার পদত্যাগ করেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামাদ হাসান এ পদক্ষেপের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, মন্ত্রীরা দায়িত্ব এড়াতে নয় বরং ‘দায়িত্ব দেখাতে পদত্যাগ করছেন’। ৪ আগস্ট বৈরুত বন্দরে বোমা বিস্ফোরণে দেড় শতাধিক লোক মারা যায় এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হয়। বাস্তুচ্যুত হয় কয়েক হাজার মানুষ। বহু দশকের সরকারি কুফলের সাথে ইতোমধ্যে ভয়াবহভাবে পরিচিত এ দেশটিতে ক্রোধ আরও বেড়েছে, কারণ বার বার নিরাপত্তার সতর্কতা সত্ত্বেও দেশের মূল বন্দরে ২ হাজার ৭৫০ টন বিস্ফোরক পদার্থ ছয় বছর ধরে জমা করে রাখা হয় এবং সেখানেই বিস্ফোরণটি ঘটে। জনগণের ক্ষোভের আশঙ্কায় লেবাননের নেতারা বিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে পা রাখার সাহস খুব কমই করেছিলেন এবং সরকার পরিবর্তন ও প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াবের পদত্যাগের দাবিতে গত সপ্তাহের শেষদিকে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। বিপর্যয়ের পরে একাধিক মন্ত্রী ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। লেবাননে যখন কোনও সরকার পদত্যাগ করে, তত্ত্বাবধায়ক ক্ষমতা অবধি কোনও নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকে, প্রক্রিয়াগত কাজগুলির দায়িত্ব গ্রহণ করে তবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অননুমোদিত। তবুও বিস্ফোরণের আগেও সরকার সবেমাত্র কাজ করছিল, এমনকি নিয়মিত আবর্জনা সংগ্রহ বা বিদ্যুৎ প্রবাহ অব্যাহত রাখতে সক্ষম ছিল না। ১৯৯০ সালে ১৫ বছরের গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে দেশটি তার গভীর রাজনৈতিক ও আর্থিক সঙ্কট থেকে কখনও বেরিয়ে আসতে পারেনি। গত বছরের …


ধর্ম-দর্শনআরও »
সৌদি আরবসহ বিশ্বের বহু দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ঈদুল আযহা উদযাপনে ভিন্ন রকম আবহ তৈরি হয়েছে। এবারে কোরবানির আয়োজন যেমন ছিল সীমিত, তেমনি সবাই মিলে নামাজ পড়া বা আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার মতো প্রচলিত রীতিতে দেখা গেছে বড় ধরণের পরিবর্তন। অনেকটা চার দেয়ালের মধ্যেই কাটছে বেশিরভাগ মানুষের ঈদ। সব মিলিয়ে, ভিন্ন এক বাস্তবতায় ঈদ উদযাপন হয়েছে। করোনাভাইরাস যেন ঈদে আনন্দের আবহকেই থমকে দিয়েছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ঈদুল আযহা উদযাপিত হচ্ছে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হয়। এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও অন্যান্য দেশগুলোতে ঈদুল আজহা উদযাপন করা হয়। মিসর, লিবিয়া, তিউনিশিয়াসহ আফ্রিাকার দেশগুলোতেও ঈদুল আজহার জামায়াত অনুষ্ঠিদ হয়েছে। ইউরোপের ব্রিটেন, রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশের মুসল্লিরা সীমিত পরিসরে ঈদের নামাজ আদায় করেন। ইরানে পবিত্র ঈদ উপলক্ষে মানুষ মসজিদে এবং ঈদগাহে গিয়ে ঈদের জামায়াতে শরিক হন। এ সময় তারা সৌদি আরবের মিনায় নিহত ইরানি হাজীদের স্মরণ করেন। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পবিত্র হজের সময় মিনায় বহু হাজি নিহত হন। এর মধ্যে ইরানের অন্তত ৪৬৪ জন হাজি ছিলেন। ওই ঘটনার জন্য ইরান সৌদি আরবের আয়োজকদের অযোগ্যতাকে দোষারোপ করে আসছে। ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের সুলাইমানিয়া শহরে কঠোর কারফিউ সত্ত্বেও বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে। …

স্বাস্থ্যআরও »
আমরা কী কিনি কিংবা কী খাই, পান করি—সবকিছুতেই নাক গলাচ্ছে করোনাভাইরাস। দুনিয়ার বড় বড় ফাস্ট ফুড চেইনও দেখছে নানা পরিবর্তন। ম্যাকডোনাল্ড’স, ডানকিন, স্টারবাকস এমন তথ্যই দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে এখন মানুষ ফাস্ট ফুডের দোকানে কফি বা স্যান্ডউইচ খেতে তেমন আসে না। বরং সবাই এক অর্ডারে অনেক বেশি খাবার কিনে নিচ্ছে। স্টারবাকস বলছে, এক অর্ডারে খাবার প্যাকেজের পরিমাণ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ডানকিনও একই প্রবণতার কথা জানিয়েছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে মানুষজন এখন ড্রাইভ-থ্রু দোকানকে বেশি ব্যবহার করছে। অর্থাৎ, গাড়ি থেকে না নেমে জানালা দিয়ে কেনাকাটা শেষ করছে। শিপোটলে দ্রুতগতিতে তাদের ড্রাইভ-থ্রু দোকানের সংখ্যা বৃদ্ধি করছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ডিজিটাল অর্ডার বাড়ছে। ম্যাকডোনাল্ড’স থেকে স্টারবাকস, ডমিনোজ সবার ক্ষেত্রেই বেড়েছে ডিজিটাল অর্ডার। ট্যাকো বেল, পিত্জা হাট ও কেএফসির ডিজিটাল অর্ডার ১ বিলিয়ন থেকে সাড়ে তিন বিলিয়নে পৌঁছে গেছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায়। বেড়েছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্ডার। ডানকিন কিংবা স্টারবাকসের মতো কফি চেইনগুলোর সকালের বিক্রি কমে গেছে। কারণ সকালে আগের তুলনায় লোকজন কম বের হচ্ছে। আর কফি খেতে আসছে আরো অনেক কম মানুষ। এমনকি ছুটির দিনের সকালেও গ্রাহকদের দেখা মিলছে কম। সকালে না এলেও দুপুরে বেশ অনেক মানুষ ভিড় করছে স্টারবাকসের দোকানগুলোতে। বিভিন্ন অফিসে করোনার কারণে সময়সূচি বদলে গেছে। সে সঙ্গে বদলেছে মানুষের কফির খাওয়ার সময়ও। যুক্তরাষ্ট্রে মানুষরা এখন বেলা ১১টা থেকে …
গ্যালারীআরও »
ভিডিওআরও »
শরণার্থীদের ফেরাচ্ছেন গ্রিক উপকূলরক্ষীরা
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো…’
লন্ডন প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক, বাংলা একাডেমী প্রবাসী পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক ইসহাক কাজল আর নেই।
Back to top button
Close