মুসলিম বিশ্বআরও »
১.৪ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তুরস্কে নির্মিত হয়েছে একটি উড়োজাহাজ রেস্টুরেন্ট। মঙ্গলবার একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট হুসাইনিয়া ক্যালিস্ক্যান সিনহুয়াকে এ তথ্য জানান। হুসাইনিয়া ক্যালিস্ক্যান আরো বলেন, এ৩৪০ উড়োজাহাজটি তুরস্কের জাতীয় পতাকাবাহী একটি উড়োজাহাজ ছিলো। ২০১৬ সালে উড়োজাহাজটি তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তখন উড়োজাহাজটিকে আট টুকরো করে একটি রেস্টুরেন্টে রূপান্তর করা হয়। ক্যালিস্ক্যান বলেন, উড়োজাহাজের অংশগুলোর বোরহানিয়া জেলার উত্তর পশ্চিম প্রদেশের বালিখেসারে কমপক্ষে ৭টি বড় ট্রাকে করে নেয়া হয়। উড়োজাহাজকে রেস্টুরেন্টে পরিণত করার পর ২৮০ জন সেখানে খাওয়া দাওয়া করতে পারবেন। আর এই রেস্টুরেন্টে এখন বিয়ের অনুষ্ঠানসহ অনেক পার্টি ও ডিনারের আয়োজন করা হয়। ক্যালিস্ক্যান আরো বলেন, একজন তুর্কি উদ্যোক্তা ১.৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে রেস্টুরেন্টটি নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু তার শারীরিক সমস্যার কারণে এখন তিনি এই রেস্টুরেন্টটি বিক্রি করে দিচ্ছেন।


ধর্ম-দর্শনআরও »
সৌদি আরবসহ বিশ্বের বহু দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ঈদুল আযহা উদযাপনে ভিন্ন রকম আবহ তৈরি হয়েছে। এবারে কোরবানির আয়োজন যেমন ছিল সীমিত, তেমনি সবাই মিলে নামাজ পড়া বা আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার মতো প্রচলিত রীতিতে দেখা গেছে বড় ধরণের পরিবর্তন। অনেকটা চার দেয়ালের মধ্যেই কাটছে বেশিরভাগ মানুষের ঈদ। সব মিলিয়ে, ভিন্ন এক বাস্তবতায় ঈদ উদযাপন হয়েছে। করোনাভাইরাস যেন ঈদে আনন্দের আবহকেই থমকে দিয়েছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ঈদুল আযহা উদযাপিত হচ্ছে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হয়। এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও অন্যান্য দেশগুলোতে ঈদুল আজহা উদযাপন করা হয়। মিসর, লিবিয়া, তিউনিশিয়াসহ আফ্রিাকার দেশগুলোতেও ঈদুল আজহার জামায়াত অনুষ্ঠিদ হয়েছে। ইউরোপের ব্রিটেন, রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশের মুসল্লিরা সীমিত পরিসরে ঈদের নামাজ আদায় করেন। ইরানে পবিত্র ঈদ উপলক্ষে মানুষ মসজিদে এবং ঈদগাহে গিয়ে ঈদের জামায়াতে শরিক হন। এ সময় তারা সৌদি আরবের মিনায় নিহত ইরানি হাজীদের স্মরণ করেন। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পবিত্র হজের সময় মিনায় বহু হাজি নিহত হন। এর মধ্যে ইরানের অন্তত ৪৬৪ জন হাজি ছিলেন। ওই ঘটনার জন্য ইরান সৌদি আরবের আয়োজকদের অযোগ্যতাকে দোষারোপ করে আসছে। ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের সুলাইমানিয়া শহরে কঠোর কারফিউ সত্ত্বেও বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে। …

স্বাস্থ্যআরও »
আমরা কী কিনি কিংবা কী খাই, পান করি—সবকিছুতেই নাক গলাচ্ছে করোনাভাইরাস। দুনিয়ার বড় বড় ফাস্ট ফুড চেইনও দেখছে নানা পরিবর্তন। ম্যাকডোনাল্ড’স, ডানকিন, স্টারবাকস এমন তথ্যই দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে এখন মানুষ ফাস্ট ফুডের দোকানে কফি বা স্যান্ডউইচ খেতে তেমন আসে না। বরং সবাই এক অর্ডারে অনেক বেশি খাবার কিনে নিচ্ছে। স্টারবাকস বলছে, এক অর্ডারে খাবার প্যাকেজের পরিমাণ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ডানকিনও একই প্রবণতার কথা জানিয়েছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে মানুষজন এখন ড্রাইভ-থ্রু দোকানকে বেশি ব্যবহার করছে। অর্থাৎ, গাড়ি থেকে না নেমে জানালা দিয়ে কেনাকাটা শেষ করছে। শিপোটলে দ্রুতগতিতে তাদের ড্রাইভ-থ্রু দোকানের সংখ্যা বৃদ্ধি করছে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ডিজিটাল অর্ডার বাড়ছে। ম্যাকডোনাল্ড’স থেকে স্টারবাকস, ডমিনোজ সবার ক্ষেত্রেই বেড়েছে ডিজিটাল অর্ডার। ট্যাকো বেল, পিত্জা হাট ও কেএফসির ডিজিটাল অর্ডার ১ বিলিয়ন থেকে সাড়ে তিন বিলিয়নে পৌঁছে গেছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায়। বেড়েছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্ডার। ডানকিন কিংবা স্টারবাকসের মতো কফি চেইনগুলোর সকালের বিক্রি কমে গেছে। কারণ সকালে আগের তুলনায় লোকজন কম বের হচ্ছে। আর কফি খেতে আসছে আরো অনেক কম মানুষ। এমনকি ছুটির দিনের সকালেও গ্রাহকদের দেখা মিলছে কম। সকালে না এলেও দুপুরে বেশ অনেক মানুষ ভিড় করছে স্টারবাকসের দোকানগুলোতে। বিভিন্ন অফিসে করোনার কারণে সময়সূচি বদলে গেছে। সে সঙ্গে বদলেছে মানুষের কফির খাওয়ার সময়ও। যুক্তরাষ্ট্রে মানুষরা এখন বেলা ১১টা থেকে …
গ্যালারীআরও »
ভিডিওআরও »
শরণার্থীদের ফেরাচ্ছেন গ্রিক উপকূলরক্ষীরা
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো…’
লন্ডন প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক, বাংলা একাডেমী প্রবাসী পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক ইসহাক কাজল আর নেই।
Back to top button
Close