এক সিংহপুরুষের চিরবিদায়

    প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবীবুর রহমান: একটি বিপ্লবী কন্ঠের চির বিদায়

    প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমান: বর্নাঢ্য জীবনের শেষ সাক্ষাতকার

    প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমানের ইন্তেকালে বিভিন্ন মহলের শোক

    প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমানের দাফন সম্পন্ন

    এক সিংহপুরুষের চিরবিদায়

    প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমান আর নেই

    মুসলিম বিশ্বআরও »
    তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিমের শীর্ষে রয়েছেন। জর্ডান কেন্দ্রিক রয়েল ইসলামিক স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার প্রতি বছর শীর্ষ ৫০০ প্রভাবশালী মুসলিমদের তালিকা প্রকাশ করে থাকে। ২০১৯ সালে প্রকাশনায় এরদোগান শীর্ষ স্থান দখল করেন। এরদোগানের শীর্ষস্থানে আসার কারণ হিসেবে বলা হয়, এরদোগান ২০১৪ সালে তিনি প্রথম তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন। আবার ২০১৮ সালের নির্বাচনেও ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট পদে পুনর্নির্বাচিত হন। প্রকাশনায় আরো বলা হয়, এরদোগানের সময়ে তুরস্কে ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়। শাসনতান্ত্রিক পুনর্বিন্যাস এবং বৈশ্বিক ক্ষমতাধর শক্তি হিসেবে পুনরুত্থান এগুলোর অন্যতম। তার নেতৃত্বাধীন সময়ে তুরস্ক তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে দারুণ সুসম্পর্ক গড়ে তোলে। বিশেষত, গ্রীসসহ কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী দেশগুলোর সাথে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও ভৌগলিক বলয় গড়ে উঠেছে। তার সময়ে আফ্রিকার ২০টিরও বেশি দেশে নতুন অ্যাম্বাসি ও কনস্যুলেট খোলা হয়েছে। ২০১১ সালে সোমালিয়ায় যখন খরা ও দুর্ভিক্ষ শুরু হয় তখন তুরস্ক সেখানে ব্যাপক ত্রাণতৎপরতা চালায়। এসব কারণে তিনি প্রথম স্থান দখল করেন। শীর্ষ মুসলিমদের তালিকায় ২০১৬ ও ২০১৭ সালে ৮ম এবং ২০১৮ সালে ৫ম স্থানে ছিলেন তিনি। সউদী আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল-সউদ ২০১৯ সালের প্রভাবশালী মুসলিমদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, তৃতীয় স্থানে রয়েছেন জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হুসেইন, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনী চতুর্থ স্থানে, ৫ম …


    ধর্ম-দর্শনআরও »
    ওমর ফারুক ইবরাহিমী: শাইখুল ইসলাম মুফতি মুহাম্মাদ তাকি উসমানির মুখে বেশ কয়েকবার শুনেছি। তিনি বলেন, অনেকের কাছে শেষরাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়াটা পাহাড়সম কঠিন কাজ মনে হয়। তাদের জন্য একটি সহজতর পন্থা রয়েছে। যদি তারা এই পন্থা অবলম্বন করেন, আশাকরি খুব সহজেই তাহাজ্জুদের অভ্যাস গড়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, মানুষের নফস হচ্ছে এমন জিনিস যাকে চাপপ্রয়োগ করে নয়, বরং ভালো কাজের প্রতি প্রলুব্ধ করে, উৎসাহ দিয়ে কাজ আদায় করে নিতে হয়। নফসের ওপর চাপপ্রয়োগের করলে তার বেঁকে যাবার সম্ভবনাই বেশি। সুতরাং কেউ যদি রাতে ঘুমাবার আগে নফসকে বলে, তোমাকে শেষরাতে আরামের ঘুম বিসর্জন দিয়ে উঠতে হবে অতপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে অযু করতে হবে এবং তাহাজ্জুদ পড়তে হবে। এতে হয়তো নফস নানান বাহানা খুঁজতে শুরু করবে। বিভিন্নভাবে তোমাকে নামাজ না পড়ার কথা বুঝাবে। তাই নফসের ওপর চাপপ্রয়োগ না করে বরং তাকে এভাবে বলো- আচ্ছা!তোমাকে শেষরাতে আরামের বিছানা ছেড়ে উঠতে হবে না, শুধু চোখদুটো খুলে, শুয়ে শুয়েই মনে মনে আল্লাহর কাছে একটু দোয়া করে নিও! এটা নফস খুব সহজেই মেনে নেবে। শেষরাতে যখন ঘুম ভাঙবে, নফসকে বলো, দেখো! আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করবা তো শুয়ে শুয়ে না করে একটু উঠে বসো, তারপর দোয়া করো! উঠে বসার পর নফসকে বলো, বিছানা ছেড়ে যখন উঠেই গেছো, নামায পড়তে হবে না, আরেকটু কষ্টকরে শুধু অযুটা …

    স্বাস্থ্যআরও »
    সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে ব্যবহার করার প্রায় ৯২ শতাংশ পানিই দূষিত। এদেশে পান করার ৪১ শতাংশ পানিতে ই-কোলি ব্যাকটেরিয়া আছে। আর ১৩ শতাংশ পানি আর্সেনিকযুক্ত। শহরগুলোতে ৫২ শতাংশ পানি পাইপলাইনে সরবরাহ করা হলেও তা সঠিক মাত্রায় শোধন করা হয় না। বিশুদ্ধ পানির আরেক নাম যেমন জীবন। তেমনি মানুষের মৃত্যুও সবচেয়ে বেশি হয় দূষিত পানির কারণে। তবে এই পানিকে চাইলে ৭টি উপায়ে শতভাগ বিশুদ্ধ করা সম্ভব। ১. ফুটিয়ে: পানি বিশুদ্ধ করার সবচেয়ে পুরানো ও কার্যকর পদ্ধতির একটি হল সেটা ফুটিয়ে নেয়া। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, পানি ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ৫ থেকে ২৫ মিনিট ধরে ফোটানো হলে এরমধ্যে থাকা জীবাণু, লার্ভাসহ সবই ধ্বংস হয়ে যায়। ২. ফিল্টার: পানি ফোটানোর মাধ্যমেই ক্ষতিকর জীবাণু দূর করা সম্ভব হলেও পুরোপুরি আশঙ্কামুক্ত থাকতে ফিল্টারের মাধ্যমে বিশুদ্ধ করা যেতে পারে। যাদের গ্যাসের সংকট রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে ফিল্টারে পানি বিশুদ্ধ করাই সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। বাজারে বিভিন্ন ধরণের ফিল্টার পাওয়া যায়। ৩. ক্লোরিন ট্যাবলেট বা ব্লিচিং: পানির জীবাণু ধ্বংস করতে ক্লোরিন বহুল ব্যবহৃত একটি রাসায়নিক। যদি পানি ফোটানো বা ফিল্টার করার ব্যবস্থা না থাকে তাহলে পানি বিশুদ্ধিকরণ ক্লোরিন ট্যাবলেট দিয়ে পানি পরিশোধন করা যেতে পারে। সাধারণত দুর্গম কোথাও ভ্রমণে গেলে অথবা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে বা জরুরি কোন অবস্থায় ট্যাবলেটের মাধ্যমে পানি শোধন …
    Close