ইউকে রেসিডেন্সি বিক্রির অভিযোগে হোম অফিস কর্মী গ্রেফতার

আশ্রয় প্রার্থীর কাছে শরণার্থী আবেদন অনুমোদনের বিনিময়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা কালে হোম অফিসের জনৈক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে ব্রিটিশ পুলিশ। উক্ত হোম অফিস কর্মী উত্তর আয়ারল্যান্ডের একজন অরক্ষিত লোককে রিফিউজি বা শরণার্থী আবেদন অনুমোদন করিয়ে দেয়ার বিনিময়ে ২০০০ হাজার পাউন্ড দাবি করেন। মনে করা হচ্ছে, বর্ণিত কেলেঙ্কারির অংশ হিসাবে হোম অফিসে স্পর্শকাতর রেকর্ড ব্যবহার করা হয়েছে।
হোম অফিস জানিয়েছে, উক্ত কর্মীকে সাসপেন্ড বা সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা বলেছে, হোম অফিস তার স্টাফদের নিকট থেকে সর্বোচ্চ মান প্রত্যাশা করে।
লেবার পার্টির ছায়া ইমিগ্রেশন মন্ত্রী স্টিফেন কিন্নক বলেন, এগুলো গভীর উদ্বেগজনক অভিযোগ এবং রক্ষণশীল সরকার আশ্রয় সিস্টেমের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। বর্ণিত অরক্ষিত আশ্রয় প্রার্থীর সাথে উত্তর ইংল্যান্ডের এসাইলাম ডিসিশন মেকার হিসেবে নিযুক্ত একজন কর্মী যোগাযোগ করেন।
তিনি বলেন যে, ২০২৪ সালের মার্চ মাসের প্রথম দিকে তিনি একটি ফোন কল পান। ফোনকারী বলেন, তার মত লোকজনের ৯৫ শতাংশ আবেদনই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। এরপর উক্ত কর্মী বলেন নগদ অর্থের বিনিময়ে তার আবেদনটি অনুমোদন করিয়ে দিতে পারবেন তিনি এজন্য ২০০০ হাজার পাউন্ড দাবি করেন।
আশ্রয় প্রার্থী বলেন, উক্ত কর্মীর কাছে তার সকল তথ্য ছিলো। তিনি আমার আবেদনপত্রের খুঁটিনাটি আমাকে প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, উক্ত আশ্রয়প্রার্থী একজন সাবেক সাংবাদিক। তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন গোটা ব্যাপারটি একটি ভাঁওতা। কিন্তু পরে তার নিকট এটা স্পষ্ট হয় যে ফোনকারী লোকটি হোম অফিসে কাজ করে। তিনি তার সাথে ভিডিও কলে কথোপকথন রেকর্ড করেন। এতে দেখা যায়, লোকটি একটি ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করছে, যাতে কেসের ফাইলসমূহসহ হোম অফিসের অফিসিয়াল সফটওয়্যার রয়েছে।
তিনি বলেন, লোকটি সবচেয়ে অরক্ষিত লোকজনকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নেয়। তার ধারণা আরো বহু লোক ইতোমধ্যে এ ধরনের প্রতারণা শিকার হয়েছেন। তিনি ভিডিও ফুটেজ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button