ইরান-ইসরাইলের হামলা পাল্টা হামলায় ডেভিড ক্যামেরনের প্রতিক্রিয়া

স্কাই নিউজকে বক্তব্য প্রদানকালে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেছেন, দামেস্কে ইরানি দূতাবাসে ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলা একটি বেপরোয়া ও বিপদজনক বিষয়। তখন স্কাই নিউজের উপস্থাপক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান যদি ব্রিটিশ দূতাবাসে এভাবে হামলা চালানো হতো তবে ব্রিটেন কি করতো? ক্যামেরন জবাবে বলেন আমরা অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ নিতাম ।
তিনি বলেন, ইরানের জবাব ছিল ব্যাপক অত্যন্ত বড়ো ধরনের। তিনি আরো বলেন, কোন দেশ যখন অনুভব করে যে সে আগ্রাসনের শিকার তখন তার অধিকার আছে এর জবাব দানের।
ইরানী পাল্টা হামলার কার্যকারিতা সম্পর্কে তিনি বলেন, যদি ওই সব মিসাইল অস্ত্র ভূপাতিত করা না হতো তবে হাজারো বেসামারিক মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটতো। এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব ধর্তব্যের বিষয়।
এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী একটি কূটনৈতিক মিশনে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া উচিত তা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন। ইসরাইলী সেনা বাহিনীর বক্তব্য অনুসারে, ইরান প্রায় ৩৩০ টি ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালায় তবে ক্যামেরন এটাকে একটি বেপরোয়া ও বিপজ্জনক জিনিস উল্লেখ করে বলেন, এটা একটি ব্যাপক হামলা ছিল।
যদি ইরান কর্তৃক নিক্ষিপ্ত মিসাইলগুলো ভূপাতিত করা না হতো তবে এর ফল কি হতো, এমন প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হাজার হাজার লোক হতাহত হতো।
তখন তাকে প্রশ্ন করা হয় ইজরাইলি কিলিং মিশন ইতোমধ্যে ৪৪ হাজারেরও বেশি মানুষ হত্যা করেছে, যার দুই তৃতীয়াংশই নারী ও শিশু। এ অবস্থায় তিনি ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞ বন্ধে কি করেছেন, তিনি এ ব্যাপারে নীরব কেন এবং তিনি ব্রিটিশ জনগণের দাবি সত্ত্বেও ইসরাইলে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করেননি কেনো?
এর জবাব অত্যন্ত সহজ অধিকাংশ মানুষের কাছে। কারণ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের শিরায় বর্ণবাদী ইহুদীবাদী রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button