প্রচন্ড চাপে এনএইচএস: সরকারের প্রতি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান

এনএইচএস যে অসহনীয় চাপের সম্মুখীন, তা মোকাবেলায় পদক্ষেপ গ্রহনের ব্যাপারে ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে আছেন ব্রিটিশ মন্ত্রীরা। সিনিয়র ডাক্তাররা বলেছেন, এনএইচএস দুর্যোগের শেষ প্রান্তে এসে উপনীত হয়েছে, যখন এক্সিডেন্ট এন্ড ইমার্জেন্সী বিভাগ গভীর সংকটে নিপতিত।
লেবার পার্টি সরকারের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করেছে, যখন লিবারেল ডেমোক্রেটরা আগেভাগে পার্লামেন্ট আহ্বানের দাবী জানিয়েছেন।
পরিবহনমন্ত্রী মার্ক হার্পার বলেন যে, স্টাফরা যে মারাত্মক চাপের মধ্যে তিনি এটা স্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, সরকার এনএইচএস এবং সামাজিক সেবাকে অধিকতর সম্পদ প্রদান করেছে সেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাবার জন্য।
উল্লেখ্য, হাসপাতালগুলোতে চাহিদা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শীতকালীন অসুস্থতা ও কভিডের কারনে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ইংল্যান্ডের হাসপাতালের শয্যাগুলোর প্রায় ১৩ শতাংশই দখল করে আছেন ফ্লু ও কভিডের মতো রোগের রোগীরা। এনএইচএস ইংল্যান্ড- এর এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। শ্রপশায়ার ও গ্লোসেস্টারশায়ারের মতো কিছু কিছু জায়গায় লোকজনকে শুধুমাত্র অত্যন্ত গুরুতর অবস্থায়ই এএন্ডই বিভাগে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু সংখ্যক হাসপাতাল জরুরী পরিস্থিতি ঘোষনা করেছে। তারা জানিয়েছে, অতিরিক্ত চাপের দরুন তারা স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারছে না। লেবার পার্টির ছায়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী উয়েস স্ট্রিটিং বলেন, সরকারের কোন মন্ত্রী তাদের মাথা উঁচু করে একথাটি বলেননি যে, সংকট মোকাবেলায় ঠিক কী কাজটি তারা করছেন, যা সম্পূর্ন অগ্রহনযোগ্য।
তিনি দাবি করেন যে, এনএইচএস হতবিহ্বল, এজন্যই তারা লোকজনকে এএন্ডই-তে যাওয়ার ব্যাপারে সক্রিয় বাধা সৃষ্টি করছেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি, এটা হচ্ছে একটি ঝুঁকির অনুভূতি, যার ভয়ে দেশব্যাপী লোকজন ভীত। লিবারেল ডেমোক্রেট এমপি ডেইজী কুপার বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাককে অবশ্যই একটি বড়ো ধরনের পরিস্থিতি ঘোষনা করতে হবে। এটা একটি জাতীয় সংকট এবং দেশ সরকারের কখনো ক্ষমা করবে না, যদি তারা পার্লামেন্ট পুনঃআহ্বান প্রত্যাখ্যান করে।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button