যুক্তরাজ্যে বছরের প্রথমার্ধে বন্ধ হয়েছে প্রতিদিন অর্ধশত দোকান

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ব্রিটিশ হাইস্ট্রিটস, রিটেইল পার্ক ও শপিং সেন্টারসমূহে বছরের প্রথমার্ধে প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত চেইন স্টোর বন্ধ হয়েছে। একাউন্টিং ফার্ম পিডব্লিউসি’র পক্ষে লোকাল ডাটা কোম্পানী কর্তৃক সংগৃহীত পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে ব্রিটেনে ৮৭৩৯ টি দোকান বন্ধ হয়ে যায়। অবশ্য এ সময়ে নতুন ৩৪৮৮টি দোকান খোলা হয়েছে। এই হ্রাসের হার ২০২০ সালের প্রথম ৬ মাসে তুলনায় ৫২৫১টি কম।
কভিড সংকট শুরু হলে গত বছরের প্রথমার্ধে ১১১২০টি দোকান বন্ধ হয়ে যায়। বর্ধিত ফারলো স্কিম, বিজনেস রেইট রিলিফ এবং সরকার অনুমোদিত ঋণ-এর মতো সরকারী প্যানডেমিক সহায়তার পাশাপাশি রেন্ট মরেটারিয়াম অপারেটরদের ব্যবসায় টিকে থাকতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে পিডব্লিউসি’র অভিমত। তবে ফার্মটি এই বলে সতর্ক করে দিয়েছে যে, সরকারী সহায়তা বন্ধ হওয়ার পর অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য বছরের দ্বিতীয়ার্ধ হবে মরা-বাঁচার লড়াইয়ের মতো।
পিডব্লিউসি ইউকে-এর ভোক্তা মার্কেটসমূহের ইন্ডাষ্ট্রি লীডার লিসা হুকার বলেন, সরকারী সহায়তা একটি লাইফ লাইন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সমীক্ষাটি রিটেইল, রেস্টুরেন্ট, ব্যাংক, ক্যাফে ও জিমসহ ব্রিটেনের ৫টিরও বেশী ব্রাঞ্চ রয়েছে এমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত আউটলেটের ওপর চালানো হয়। দেখা গেছে, রিটেইলাররা সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত। বছরের প্রথমার্ধে এর ১০৬৩টি স্টোর বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া ৪৫২টি চ্যারিটি স্টোর, ৪২৮টি কার ও মোটরবাইক আউটলেট এবং ৩৩৭টি বেটিং শপ বন্ধ হয়ে যায় এ সময়। লোকজন শহরতলী কিংবা শহর ছেড়ে চলে যাওয়ায় সিটি সেন্টারগুলো সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সমীক্ষা অনুসারে, লন্ডন ২০১৬ সালের শীর্ষ অবস্থান থেকে নেমে যায়। গত ২ বছরে লন্ডনে দোকান বন্ধের ঘটনা ২.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। ৬৩৬ রিটেইল পার্কস বন্ধ হয়ে যায়। তবে এটা হাইস্ট্রিটস ও শপিং সেন্টার থেকে ভালো অবস্থানে রয়েছে। এ সময় হাইস্ট্রিটসে ৩৬৪৩টি আউটলেট এবং শপিং সেন্টার বন্ধ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও দেখুন...
Close
Back to top button