স্কুলের বাজেট বৃদ্ধির আবেদন জানিয়ে একযোগে এগারোশ কাউন্সিলারের আবেদন

টাওয়ার হ্যামলেটসসহ সারা দেশের প্রায় এগারোশ কাউন্সিলার যৌথভাবে সরকারের কাছে স্কুল বাজেট বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। ২ এপ্রিল, মঙ্গলবার এডুকেশন সেক্রেটারী ড্যামিয়েন হিন্ডসের কাছে জমা দেয়া এক বিশেষ আবেদন পত্রে তারা এই আহ্বান জানান। ন্যাশনাল এডুকেশন ইউনিয়ন (এনইইউ) এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে। এতে সারাদেশের স্থানীয় কাউন্সিলাররারসহ এডুকেশন ফেয়ার ফান্ডিং ক্যাম্পেইন গ্র“প এফ৪০ও যোগ দিয়েছে। এডুকেশন সেক্রেটারীর বরাবরে দেয়া আবেদনে স্কুলগুলোর বাজেট কাটের কারনে যে সব সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে এর বর্ণনা দেয়া হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, বাজেট কাটের কারনে স্কুলগুলোর শিক্ষক এবং সাপোর্ট স্টাফের সংখ্যা কমে গেছে, কমে গেছে অনেক সাবজেক্ট।

এককথায় স্কুলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ইনস্টিটিউট অব ফিসকাল স্টাডিস এর মতে বাজেট কাটের কারনে ২০১০ সালের পর শিক্ষার্থী প্রতি ৮% বাজেট কমেছে। দ্যা এডুকেশন পলিসি ইনস্টিটিউট এর মতে কাউন্সিল পরিচালিত এক তৃতীয়াংশ সেকেন্ডারী স্কুল বাজেট ঘাটতিতে রয়েছে। এছাড়া গত বছর ক্রেস্টন ইউকে এর রিপোর্ট মোতাবেক প্রতি দশটির মধ্যে ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্টানই দেনার মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে ন্যাশনাল এডুকেশন ইউনিয়নের (এনইইউ) গবেষনা মতে ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে টাওয়ার হ্যামেলেটসের স্কুলগুলো ৫৬ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশী বাজেট হারিয়েছে। যা শিক্ষর্থীপ্রতি ৬২৬ পাউন্ডের সমান।

এব্যাপারে টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র জন বিগস তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, স্কুলগুলো ভয়ংকর রকমের বাজেট ঘাটতিতে রয়েছে। ২০১৫ সালের পর বিলিয়ন পাউন্ড বাজেট হারিয়ে গেছে এবং একারনে টাওয়ার হ্যামলেটসের স্কুলগুলো একারনে ভুগছে। মেয়র বলেন, গত ২০ বছরে টাওয়ার হ্যামলেটসের স্কুলগুলো যে অগ্রগতি সাধন করেছিলো তা আজ হুমকির মুখে। আর এজন্য সরকারের কাছে আমরা বারবার আবেদন জানিয়ে যাচ্চিছ বাজেট না কাটার জন্য।

কেবিনেট মেম্বার ফর চিলন্ড্রেন, স্কুল এন্ড ইয়ং পিপল কাউন্সিলার ড্যানি হ্যাসেল বলেন, এভাবে চলতে পারেনা। আমাদের বারার ভবিষ্যত প্রজন্মের অগ্রগতির জন্য স্কুল এবং কলেজগুলোর ব্যাপকভাবে অতিরিক্ত বাজেট দরকার। আর এজন্য সরকারের উচিৎ এই ফান্ডিং কাট বন্ধ করে বাজেট বাড়ানো যাতে করে যে কোন ধরনের ব্যাকগ্রাউন্ড বিবেচনায় সবাই সমান সুযোগ পেতে পারে। কাউন্সিলার ড্যানি হ্যাসেল স্পেশাল নিডস এবং শারীরিকভাবে অক্ষম শিক্ষার্থীদের বাজেট বৃদ্ধিরও আবেদন জানান।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও দেখুন...

Close
Back to top button
Close