লন্ডনে মুফতি আব্দুল মুনতাকিমের বাসভবনে মুফতি আবুল হাসান এমপির সৌজন্য সাক্ষাৎ
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জননেতা মুফতি আবুল হাসান লন্ডনে বিশিষ্ট ইসলামী মিডিয়া ভাষ্যকার এবং জামেয়াতুল খাইর আল ইসলামিয়া, সিলেট-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান পরিচালক মুফতি আব্দুল মুনতাকিমের বাসভবনে গতকাল ১৯ অগাস্ট বৃহস্পতিবার সৌজন্য সাক্ষাৎ ও প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেছেন।
মুফতি আবুল হাসানের সম্মানে আয়োজিত মর্নিং ব্রেকফাস্টে দেশ, জাতি, সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দ্বীনি কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় মুফতি আব্দুল মুনতাকিম মুফতি আবুল হাসান এমপিকে দেশ ও জাতির কল্যাণে এবং তাঁর নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে জাতীয় সংসদে সময়োপযোগী ভূমিকা পালনের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
মুফতি আব্দুল মুনতাকিম বলেন, “মুফতি আবুল হাসান এমপি সাহেবের সঙ্গে আমার প্রায় ৩৫ বছরের আন্তরিক ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, এই সম্পর্ক অতীতেও ছিল, এখনো আছে এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে।”
জবাবে মুফতি আবুল হাসান এমপি বলেন, “আমাদের পারস্পরিক ভালোবাসা ও আস্থার সম্পর্ক বহু বছরের। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও আমরা দ্বীন, দেশ ও সমাজের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করে যাব।”
অনুষ্ঠানে হাফিজ কাজী আব্দুর রহমান, ব্রাদার জামাল ইসলাম, মাওলানা কাজী ইমদাদুল হক সাকিবসহ বিশিষ্ট আলেম ও সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মুফতি আবুল হাসান এমপি লন্ডনের ক্রিস্টিয়ানস্ট্রিট এলাকায় অবস্থিত মারকাজ মসজিদে জোহরের নামাজ আদায় করেন। এ সময় তিনি উপস্থিত বিপুলসংখ্যক উলামায়ে কেরাম ও মুসল্লিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
এরপর মুফতি আব্দুর রাজ্জাক ও মাওলানা কাজী ইমদাদুল হক সাকিবের শ্বশুরের বাসভবনে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন মুফতি আবুল হাসান এমপি। সেখানে দেশ, জাতি ও এলাকার উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মুফতি আবুল হাসানের সম্মানে আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে শায়খ কাজী লুৎফুর রহমান, কমিউনিটি নেতা আবুল হোসেইনসহ বিপুলসংখ্যক উলামায়ে কেরাম, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মুফতি আবুল হাসান এমপির পরিচালনায় দেশ-বিদেশের সকল মানুষের কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া করা হয়।
আয়োজকরা বলেন, এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে উম্মাহ, দেশ ও জাতির কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পায় এবং ঐক্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।



