সুদের হার বাড়ায় লাখো বাড়ির মর্গেজ অপরিশোধিত

ইউকে ফাইন্যান্স অনুসারে, চলতি সনের তৃতীয় প্রান্তিকে ৮৭ হাজার ৯৩০ টি বাড়ির মর্গেজ পরিশোধ বকেয়া পড়ে আছে, যা এর আগের প্রান্তিকের চেয়ে ৭ শতাংশ বেশী। ঋনদাতাদের প্রতিনিধিত্বকারী ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন ‘ইউকে ফাইন্যান্স’ এর মতে, জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ ও গৃহ ঋনের উচ্চ হার বকেয়া হওয়া মর্গেজের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য দায়ী। অনেক বাড়ির মালিক মর্গেজ পোষাবে এমন ভাড়া দাবি করার মতো অবস্থায় নেই। ‘ভাড়া দেয়ার লক্ষ্যে ক্রয়’ (বিটিএল) এমন মর্গেজের বকেয়া পড়ার সংখ্যা ১১ হাজার ৫৪০ টি, যা আগের প্রান্তিকের অর্থাৎ তিন মাসের একই সময়ের তুলনায় ২৯ শতাংশ বেশী।
ইউকে ফাইন্যান্স এর প্রতিবেদন অনুসারে, বকেয়ার ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধির পেছনে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ ও সুদের উচ্চহার উভয় বিষয়ের সম্মিলিত প্রভাব দায়ী। বিশেষ করে বিটিএল খাতে সুদের হারের চাপ অধিকতর তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে যে, বকেয়া মর্গেজ এখনো ২০০৯ সালে পরিদৃষ্ট লেভেলের অর্ধেকের চেয়েও কম দেখা যাচ্ছে। ইউকে ফাইন্যান্সের প্রত্যাশা, বাড়ির মালিক ও বকেয়া বিটিএল মর্গেজের সমন্বিত সংখ্যা ২০২৩ সালের শেষভাগের মোট মর্গেজকৃত সম্পত্তির ১ শতাংশের নীচে থাকবে। ২০২৩ সালের থার্ড কোয়ার্টার অর্থাৎ তৃতীয় প্রান্তিকে প্রায় ৬৩০ জন বন্ধককৃত সম্পত্তির মালিক তাদের সম্পত্তি পুন:দখল করেন, যা এর আগের প্রান্তিকের চেয়ে ৯ শতাংশ কম। একই সময়ে ৪৫০ টি বিটিএল মর্গেজকৃত সম্পত্তির পুন:গ্রহন করা হয়, যা ২০২৩ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক থেকে অপরিবর্তিত। ঋনদাতারা মর্গেজ পরিশোধে হিমশিম খাওয়া লোকজনকে লভ্য সহায়তা প্রদান করেছে।
ইউকে ফাইন্যান্স এর ব্যক্তিগত ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এরিক লিন্ডারস্ বলেন, মর্গেজ পরিশোধে উদ্বিগ্ন যে কোন ব্যক্তির যথা সম্ভব তাদের ব্যাংকে যোগাযোগ করা উচিত। সকল ঋনদাতার বিশেষজ্ঞ টিম রয়েছে ঐসব ব্যক্তিকে সাহায্য করতে, যারা মর্গেজ পরিশোধে সমস্যায় আছেন।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button