শিরোনাম :

লন্ডন, আজ বুধবার | ২৫শে এপ্রিল, ২০১৮ ইং | ৮ই শাবান, ১৪৩৯ হিজরী | ১২ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | গ্রীষ্মকাল | রাত ১২:০২

Home » এক্সক্লুসিভ » আগ্রাসনের দায় নিতে হবে ওয়াশিংটন, প্যারিস ও লন্ডনকে
ভয়াবহ যুদ্ধের দামামা, পাল্টা জবাবে ১১ রুশ রণতরী ছেড়েছে সিরিয়া

আগ্রাসনের দায় নিতে হবে ওয়াশিংটন, প্যারিস ও লন্ডনকে

putinবেজে উঠেছে ভয়াবহ যুদ্ধের দামামা। সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের বিমান হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়েই ক্ষান্ত হননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই হামলার পরিণতি ভয়াবহ হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন পরাক্রমশালী রাশিয়ার এই প্রেসিডেন্ট। তার নির্দেশেই পাল্টা জবাব দিতে ১১ রুশ রণতরী ইতোমধ্যেই ছেড়েছে সিরিয়া!
এদিকে হামলার জবাবে আসাদ বাহিনীর উপর মার্কিন হামলার তীব্র নিন্দা করে একটি গত শনিবার ফেসবুক পোস্ট করেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া ঝাখারোভা। এছাড়াও ট্রাম্প প্রশাসনকে পরিণামের হুমকি দিয়েছেন আমেরিকায় নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত এনাতলি আন্তনোভ। আসাদ বাহিনীর উপর হামলা চালিয়ে সিরিয়ায় পরিস্থিতি আরো জটিল করে তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এবার পাল্টা দাপট দেখাতে বাধ্য হয়ে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেই দাবি অনেকের। তারই প্রতিফলন ঘটছে রুশ কূটনীতিবিদদের কথাবার্তায়।
গত শনিবার রুশ রাষ্ট্রদূত এনাতলি আন্তনোভ বলেন, ‘হামলার প্রতিক্রিয়ার জন্য তৈরি থাকুক আমেরিকা। এই আগ্রাসনের পরিণামের দায় সম্পূর্ণভাবে নিতে হবে ওয়াশিংটন, প্যারিস ও লন্ডনকে’। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া ঝাখারোভার মার্কিন ও ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমগুলোকে একহাত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘মিডিয়া রিপোর্ট দেখেই হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। তাহলে এবার সিরিয়ায় যা হচ্ছে তার দায়িত্ব নিক সংবাদমাধ্যম। ইরাকের মতোই অজুহাত দেখিয়ে এই হামলা চালিয়েছে আমেরিকা।’
খবরে বলা হয়, ট্রাম্পের হুমকির পরই সিরিয়ার তারতাস নৌঘাঁটি থেকে উধাও হয়েছে ১১টি রুশ যুদ্ধজাহাজ। মাত্র একটি কিলো ক্লাস সাবমেরিন রয়েছে বন্দরে। সেটির সুরক্ষায় মোতায়েন রয়েছে অত্যাধুনিক ‘এস-৪০০’ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম।
এক্সপ্রেস ইউকে আরো জানায়, স্যাটেলাইটের ছবিতে এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে যে গোপনে রুশ রণতরীগুলো এমন জায়গাতে অবস্থান করছে যাতে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের তরীগুলো গুঁড়িয়ে দেয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব দিতে গোপনে সাগরে পাড়ি দিয়েছে রুশ রণতরীগুলো। আর এই গোপন শক্তিতেই রাশিয়া বার বার বলছে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জায়গা তারা ভূমির সাথে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিরিয়ায় বিমান হামলা চালানোর ফল ভুগতে হবে আমেরিকাকে।

আমাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন