কমিউনিটি

মেফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে লাঞ্চ করলেন নির্বাহী মেয়র

mayflower-primary-schoolটাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র ফ্রি স্কুল মিল কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে তার অঙ্গিকারের কথা আবারো ব্যক্ত করেছেন। গত সপ্তাহে তিনি মেফ্লাওয়ার প্রাইমারী স্কুলে লাঞ্চ আওয়ারে বাচ্চাদের সাথে যোগ দিতে গিয়ে এই অঙ্গিকার পূণর্ব্যক্ত করেন।
গত মাসে অনুমোদিত কাউন্সিলের বাজেটে বারার সবচেয়ে অসহায় বাসিন্দাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিসগুলো সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি ফ্রি স্কুল মিলস’ অব্যাহত রাখা হয়।
বারার ১১ হাজার ২৯৩ জন স্কুল শিক্ষার্থীকে কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে স্কুল মিলস প্রদান করা হয়, যারা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে স্কুল মিল পাওয়ার উপযোগী বলে বিবেচিত হয় না। বারায় সর্বমোট ৩৩ হাজার ৮১৮ জন স্কুল শিক্ষার্থী ফ্রি স্কুল মিলস’ পেয়ে থাকে। স্কুলের বাচ্চারা যাতে স্বাস্থ্য সম্মত খাবার ও জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়, সেজন্য কাউন্সিলের হেলদি লাইভস’ টিম বারার স্কুলগুলোতে বিশেষভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, বারার স্কুল বর্ষ ৬ এ শিক্ষার্থীদের ৪১ শতাংশই (২০১৫-১৬) অতিরিক্ত ওজন বা মুটিয়ে যাওয়ার ক্যাটাগরিতে পড়ে এবং অনুর্ধ ১৬ বছর বয়সীদের ৩৯ শতাংশ (২০১৪) শিশুই দারিদ্রতার মধ্যে বসবাস করছে।
মেফ্ল্যাওয়ার টিম মেয়র অব লন্ডনের কাছ থেকে হেলদি স্কুল হিসেবে স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক লাভ করেছে।
টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র জন বিগস বলেন, মেফ্লাওয়ার স্কুল পরিদর্শনে আসতে পেরে, তাদের সাথে লাঞ্চ করতে পেরে এবং নতুন মেন্যূ ও খাবার সম্পর্কে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিমত জানার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বাজেটে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত আমাদের নিতে হয়েছে। কিন্তু ফ্রন্টলাইন সার্ভিস হিসেবে পরিচিত কমিউনিটির কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিসগুলো অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আমি ছিলাম বদ্ধপরিকর।
শিক্ষা বিষয়ক কেবিনেট মেম্বার কাউন্সিলর এ্যামি হোয়াইটলক গিবস বলেন, ক্ষুধার্ত শিশুরা লেখাপড়ায় মনোযোগ দিতে পারে না এবং পিছিয়ে পড়ে। প্রতিদিন প্রাইমারী স্কুলে আমাদের বাচ্চচারা স্বাস্থ্যসম্মত ও গরম খাবার যাতে পায়, তা নিশ্চিত করতে পেরে আমি গর্বিত। আর্থিক চাপ থাকা সত্বেও ফ্রি স্কুল মিল অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে মেয়র অঙ্গিকারাবদ্ধ।
মেফ্লাওয়ারের হেলদি স্কুল কোঅর্ডিনেটর কলসুমা বেগম বলেন, এই প্রজেক্টটি অত্যন্ত সফল হয়েছে। লাঞ্চ হলের আচরণও অনেক উন্নত হয়েছে। লাঞ্চটাইমে বাচ্চারা ভালোভাবে অবহিত হচ্চেছ এবং স্বাস্থ্য সম্মত পছন্দের সুযোগ পাচ্চেছ। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কেও বাচ্চারা অনেক ধারণা লাভ করছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close